মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন তালুকদারের বিরুদ্ধে জেলে পূনর্বাসনের চাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে চাল কম দেয়া, অন্য পেশাজীবীদের চাল দেয়াসহ নানা অভিযোগে জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান অবশ্য বলছেন, জেলেদের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে সমন্বয় করার জন্য কম চাল দেয়া হয়েছে।
জেলেদের অভিযোগ, ২ কিস্তিতে চাল ৮০ কেজি করে মাথাপিছু দেয়ার নিয়ম থাকলেও দেয়া হচ্ছে ৩০ কেজি।
মৎস্য অফিস বলছে, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মেহেন্দিগঞ্জের মেঘনাসহ একাধিক নদীতে ১৯০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ৪ মাস ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলেদের পাওয়ার কথা ৪ মাসব্যাপী প্রতিমাসে জনপ্রতি ৪০ কেজি হারে চাল।
তবে অভিযোগ উঠেছে, চাল দেয়া হচ্ছে অর্ধেকের কম। গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ৭৫০ কার্ডধারী জেলের নামে চাল বরাদ্দ হয়। ২ মাসে মাথাপিছু ৮০ কেজি চাল। তবে চেয়ারম্যান ২ মাসের চাল প্রতি কার্ডে ৩০ কেজি করে দেন। টেগ অফিসার উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও তাকে ছাড়াই বিতরণ করা হয়। একজনের নামের চাল আরেকজনকে দেয়া হয়।
চাল কম পাওয়া কার্ডধারী জেলে মাসুদ, সবুজ ও লতিফ জানান, তারা ৩০ কেজি চাল পেয়েছেন। একাধিক মেম্বার জানান, চাল বিতরণ করার বিষয়ে তাদের কিছুই বলেনি চেয়ারম্যান। পরিমাপে কম দিয়ে মাথাপিছু প্রায় ৫০ কেজি চাল চেয়ারম্যান চুরি করছেন।
চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন তালুকদার বলেন, পরিষদে ৭৫০ কার্ডধারীর চাল আমি দ্বিগুণ লোকের মধ্যে বিতরণ করেছি। তবে এটা বিধিতে নেই বললে তিনি বলেন, উপর থেকে আমাকে এটা করতে বলা হয়েছে।
সাংবাদিকরা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বেশ কয়েকজনের চাল পরিমাপ করে সত্যতা পায়। অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য অফিস ও খাদ্যগুদামের শ্রমিকরা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।









