ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার খালগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে দখল-দূষণ আর খননের অভাবে। বড় বড় বেশির ভাগ খালই পরিণত হয়েছে মরা খালে। এই সুযোগে দখলে মেতে উঠেছে প্রভাবশালীরা। খালের অর্ধেকের মধ্যে উঠছে দোকানপাট, হচ্ছে চাষাবাদ। দখল মুক্ত করতে বা খনন করে খালের যৌবন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ী, বানোগঞ্জ, খুলুমবাড়িয়া, চরপাড়া, গোবিন্দপুর, কাশিনাথপুর, ডাউটিয়া, বন্দেখালি, লাঙ্গলবাধ এলাকার রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে চলা খালগুলোতে একসময়, পানিতে টলমল করতো। খালে পাওয়া যেত নানা জাতের মাছ; খালে তাকালেই দেখা মিলতো জেলে সহ এলাকার মানুষের বর্ষির ছিক। যার সুত্র ধরে খালের নামকরণ করা হয় বড়’খাল।
এখন চিত্র একেবারেই উল্টো। বড় খাল নামের একমাত্র খালটি এখন ময়লা আবর্জনার স্তূপে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে জনসাধারণ স্বাভাবিক চলাফেরায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এর ফলে মশা-মাছির উপদ্রপ ও দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এখন এলাকাবাসী। বর্ষার মৌসুমে এই খালে ময়লা আবর্জনায় পানি নিষ্কাশনে প্রধান প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। উপজেলার প্রায় বাজার গুলো এখন এই বড়’খালের সাথে হওয়াই, সব আবর্জনা ফেলা হচ্ছে খালে। দীর্ঘ দিন খননের অভাবে খালটি এখন প্রায় স্রোতহীন।
এলাকাবাসী জানান, বছরে একবার পানি আসলেও সেই পানি আমরা প্রয়োজন সময় পাই না। আমরা যারা কৃষি কাজ করি, জমিতে যখন পানির প্রয়োজন হয় তখন আমরা পানি পাই না। যখন পাই তখন অসময়ে। এখনতো খাল একেবারেই পানিশূন্য।
আনন্দবাজার/শাহী









