ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ঝড়ে দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত ও কয়েক’শ হেক্টর ফসলি জমির ধান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার ভলাকুট ও পূর্বভাগ ইউনিয়নসহ কয়েকটি গ্রামে এ ঝড় বয়ে যায়। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও নাসিরনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান খান শাওন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুবেল মিয়া জানান, রবিবার রাতে ও সোমবার সকালে উপজেলার ভলাকুট, কঠুই, খাগালিয়া, বালিখোলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। এতে দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এ ছাড়া ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী ভবনের টিনের চালা ও একটি স্কুল পুরোপুরি ঝড়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়াও কয়েক’শ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইউএনও মেহেদী হাসান খান শাওন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ভলাকুট ইউনিয়নে দুই থেকে আড়াই’শ টিনচালা ঘর, ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের টিনের চালা, পূর্ববাড়িতলা সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়টি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, চারশ যায়গায় বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়েছে, ১৪টি বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গে গেছে, দুইশ চারটা বিদ্যুতের মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পূর্বভাগ ও ভলাকুট ইউনিয়নসহ নাসিরনগর উপজেলার বেশ কিছু এলাকাসহ একশ ২০ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পুরমান পুরোপুরি জানতে আরো অন্তত দুইদিন সময় লাগবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন ও নগদ টাকা সহায়তা দেয়া হবে।









