করোনায় দেশে মানুষ যখন যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব আসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে, ঠিক সেই সময়ে তার উল্টো চিত্র ঘটল চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার মির্জাপুর ইউনিয়নে। এখানে অভিযোগ উঠেছে ত্রাণ দেওয়য়ার পর ছবি তোলে ফের সেই ত্রাণ কেড়ে নিয়েছেন নুরুল আবছার নামের এই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।
জানা যায়, এই চেয়ারম্যান ত্রাণ দিবে বলে এলাকায় ব্যাপক প্রচার করেন। তার আশ্বাস অনুযায়ী এলাকার অসহায় মানুষ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হয়ন। পরবর্তীতে তাদেরকে সারিবদ্ধ ভাবে বসিয়ে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এসময় বেশ কয়েকজনকে দিয়ে তিনি এই ত্রাণ বিতরণের ছবি তোলান। ছবি তোলা শেষ হলে, ফের তাদের কাছ থেকে ত্রাণ গুলো কেড়ে নেওয়া হয়।
এসময় এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন অসহায় পরিবারগুলো। মারধরের শিকার ২৬টি পরিবারের এ ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারকে।
অভিযুক্ত নুরুল আবছার হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে পরিচিত। এর আগেও তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন জানান, মির্জাপুরের চেয়ারম্যান ত্রাণের কথা বলে লোকজনকে পরিষদে নিয়ে যান। তাদের ত্রাণ দেওয়ার পর তা আবার কেড়ে নেন। অসহায় এমন ২৬টি পরিবারের লোকজন উপজেলা পরিষদে এসে কান্নাকাটি করে এমন কথা বলতে থাকেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া ত্রাণ তাদের দেওয়া হয়।
মারধরের শিকার কয়েকজন জানান, ছবি তোলার পর চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ও তার লোকজন প্রদান করা ত্রাণগুলো কেড়ে নেয়।
আনন্দবাজার/শহক









