সাতক্ষীরার তালায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে কৃষিজমির কোলঘেঁষে গাছ-পালাসহ ফসলি জমি নষ্ট করে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রভাবশালী বালু উত্তোলনকারীদের দাপটে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা হাতাশাগ্রস্ত হয়ে পেড়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামের খৃষ্টান মিশনের পাশে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তার কাজ চলছে। এতে বালুর প্রয়োজন হলে স্থানীয় এক পুলিশের উদ্ধর্তন কর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে কৃষিজমি ধ্বংস করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অপরদিকে একই ইউনিয়নের লাউতাড়া গ্রামের সোনাপাতিল বিল থেকে শ্মশানঘাটের প্রায় ১০ লাখ টাকার কাজের জন্য চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। এছাড়া লাউতাড়া গ্রামের সোনাপাতিল বিলে অজিয়ার রহমানের মেশিন দিয়ে সকলের অগোচরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে ১৪ দিন ধরে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, তালা উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি না থাকায় বালু খেকোরা বেপোরায়া হয়ে উঠেছে। মাঝে মধ্যে উপজেলা প্রশাসন হানা দিলেও কিছুদিন পরে বালু খেকোরা আইনের তোয়াক্কা না করে পুনরায় ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করেই যাচ্ছে। সেটি আবার এক দুই নয় প্রায় ১০থেকে ১৫ দিন যাবত চলছে বালু উত্তোলন।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, উভয়স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর তিনি জানেন না। আর যে স্থানে আমার নাম বলা হয়েছে সেই শ্মশানের কাজের বিষয় আমি ইউপি সদস্য অবগত নয়। শ্মশান কমিটি অনত্র হতে অর্থের যোগান এনে কাজ পরিচালনা করছে। আমাদের জানানো প্রয়োজন মনে করেনি তারা। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারিলাম আমার ইউনিয়নে বালু উত্তোলন চলছে। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস মুঠোফোনে জানান, ফসলি জমিতে বা জমির পাশে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
আনন্দবাজার/এম.আর









