বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের মূল ফটকে পৌরসভার ঢাকনাহীন ও ভাঙাচুরা ড্রেনটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না করায় দিন দিন সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি বাড়ছে। গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে কেউ লাফিয়ে লাফিয়ে আবার কেউ ভয়ে ভয়ে ড্রেন পর হয়ে আসছেন। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গত ৬ মাস আগে ড্রেনটি সংস্কার করার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলেও আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় নি।
উপজেলার সান্তাহার রেল যোগাযোগের জন্য প্রসিদ্ধ একটি শহর। শুরুতে এখানে শুধুমাত্র সান্তাহার ইউনিয়ন থাকলেও পরবর্র্তীতে ‘ক’ ও ‘খ’ নামে পরিষদটি দু’ভাগে বিভক্ত হয়। এরপর ১৯৮৮ সালে স্থাপিত সান্তাহার পৌরসভা, যা বর্তমানে প্রথম শ্রেণীতে উন্নিত। এদিকে সেই পুরাতন জায়গায় রয়েগেছে ইউপি ভবনটি। যা বর্তমানে পৌর শহরে অবস্থিত হওয়ায় নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতাদের। এখন সেই ইউপি ভবনের মূলফটকে ঢাকনাহীন ও ভাঙাচুরা একটি ড্রেনের কারণে ঝুঁকি নিয়ে পরিষদে সেবা নিতে আসছেন জনসাধারণ।
সেবা নিতে আসা ইউনিয়নের সন্দিড়া গ্রামের বাসিন্দা সাগর হোসেন জানান, সংস্কারহীন ড্রেনের কারণে সামনে মোটরসাইকেল রাখা তো দূরের কথা হেঁটে পার হতেও ভয় লাগে। একটি পরিষদে প্রতিদিন হাজারো লোকজন সেবা নিতে আসে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের উদ্যোগ নেই। এমন পরিস্থিতিতে বলা চলে ‘পৌরসভার ছোট একটি সংস্কারহীন ড্রেনের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন পুরো ইউনিয়নের বাসিন্দারা’।
সমস্যা নিরসনের কথা জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান নাহিদ সুলতানা তৃপ্তি বলেন, ড্রেনটি সংস্কারের জন্য এপ্রিলে পৌর কর্তৃপক্ষকে লিখিত আবেদন দেয়া হয়েছে। এরপর আমি ব্যক্তিগতভাবে মুঠফোনে মেয়র সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগও করেছিলাম। তবে, আজপর্যন্ত তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। এতে দিনদিন ভোগান্তি বাড়ছে। তারা যদি সংস্কার না করে তাহলে শিগগিরই জনস্বার্থে আমরা এ সমস্যা নিরসন করতে উদ্যোগ নেবো।
সান্তাহার পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ড্রেনটি সংস্কারের জন্য ঢাকনা বানানো হচ্ছে। অল্প দিনের মধ্যেই ড্রেনটি সংস্কার করা হবে।









