গত কয়েদিনে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমা অতিক্রম করেছে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। তবে রবিবার থেকে কমতে শুরু করেছে। যার কারণে লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি ঘটেছে। ফলে
রবিবার সকাল ৬টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। যা স্বাভাবিকের (৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) চেয়ে ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এর পূর্বে গত শনিবার ভোর থেকে পানি প্রবাহ কয়েক দফায় বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছিল। দিনভর বিপদ সীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহের ফলে লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
স্থানীয়রা বলেন, শুক্রবার রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ হঠাৎ বাড়তে থাকে। পরদিন সকালে ডালিয়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তিস্তার পানি প্রবাহ। ফলে তিস্তার চরাঞ্চল ও বামতীরের নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ডুবে যায় কৃষকের ফসলি জমি। ভেসে যায় পুকুরের মাছ। দিনভর বিপদ সীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও রাতে পুনরায় কমতে শুরু করে। রোববার সকালে বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় তিস্তার পানি প্রবাহ।
আনন্দবাজার/এস.কে









