চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এস এস সায়েন্টিফিক কর্পোরেশন ও সিএমএসডি কর্তৃক আমদানিকৃত অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপন কাজ চলমান রয়েছে। সারাদেশের মধ্যে ৬০টি হাসপাতালে এ প্লান্টের কাজ চলছে। এর মধ্যে চাঁদপুরে একটি। প্লান্টের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৫০০ লিটার গ্যাস উৎপাদন করা যাবে। যা ২৪ ঘন্টা সেবা চালু থাকবে। চলতি মাসের মধ্যে অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন কাজ সমাপ্ত হবে বলে জানিয়েছেন এস এস সায়েন্টিফিক কর্পোরেশন।
সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের ৪ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের পিছনে সেফটিক ট্যাংকির উপরে ৮ ফিট উচ্চতা বিশিষ্ট আরসিসি কলাম করে ছাদ দিয়ে তার উপরে টিনশেড কক্ষ তৈরি করা হচ্ছে। এর ভিতরে অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপনের জন্য ৫৪০ বর্গফুট জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবন নির্মাণ এবং জেনারেটর স্থাপন করতে চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট ছাড়াও একটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট রয়েছে। অক্সিজেন প্লান্টটি বসানোর কাজে অর্থায়ন করছে ইউনাইটেড ন্যাশন ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন্স ইমার্জেন্সি ফান্ড (ইউনিসেফ)। বাস্তবায়ন করছে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এস এস সায়েন্টিফিক কর্পোরেশনেরর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বাকি বিল্লাহ জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অধিনে কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার থেকে বাংলাদেশের ৬০টি হাসপাতালে অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। তার মধ্যে চাঁদপুর একটি। চাঁদপুরে প্রায় ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ৩০ ভাগ কাজ ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. এ এইচ এম সুজাউদ্দোলা জানান, নিয়মিত কাজের তদারকি করা হচ্ছে। অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্টটি স্থাপন হলে হাসপাতালে আর অক্সিজেন সংকট হবে না।
আনন্দবাজার/এম.আর









