মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশালে সাত বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রেখে খসড়া আইন সংসদে আইন সংসদে উঠেছে।
গতকাল বুধবার (০৭ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) বিল- ২০২০’ এ আইনের খসড়ার উত্থাপন করেন। এরপর বিলটি পরীক্ষা করে ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নিকট পাঠানো হয়।
এছাড়ও নিরাপদ মাছের উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষে মৎস্য খামারিদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিধানও এ বিলে রাখা হয়েছে।
মৎস্য পণ্যে ভেজাল দিলে কিংবা খামারে নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার করা হলে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৮ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনটিতে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, সামরিক শাসনামলে প্রণীত এ বিষয়ে ১৯৮৩ সালের আইনটি রহিত করে বাংলায় নতুন করে আইন প্রণয়নের জন্য বিলটি উত্থাপন করা হচ্ছে।
খসড়া আইনে মৎস্যের সংজ্ঞায় বলা হয়, সকল প্রকার কোমল ও কঠিন অস্থি বিশিষ্ট মৎস্য, সাদু ও লবণাক্ত পানির চিংড়ি, উভচর জলজপ্রাণী, কচ্ছপ, কুমির,কাঁকড়া জাতীয় প্রাণী, শামুক, ঝিনুক, ব্যাঙ এবং এসব জলজপ্রাণীর জীবন্ত কোষকে মৎস্য হিসেবে গণ্য করা হবে।
বিলটি যদি পাস হয় তাহলে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় তাজা মাছ প্রক্রিয়া করতে হবে। পচা, দূষিত, ভেজাল ও অপদ্রব্য মিশ্রিত মৎস্য ও মৎস্যপণ্য বাজারজাত করা যাবে না।
আনন্দবাজার/এম.কে









