ইউপি নির্বাচনের চতুর্থ ধাপ
বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনার মধ্য দিয়ে সিলেট বিভাগের ৮২টি ইউনিয়নে গতকাল রবিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে টানা ভোটগ্রহণ। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে সিলেটে প্রতিটি কেন্দ্রে ছিলো উৎসবের আমেজ। শতোর্ধ্ব মানুষও স্বত:স্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। পাশাপাশি নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষণীয়। ভোটগ্রহণ অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন কঠোর অবস্থানে।
ইউনিয়ন সমূহ হলো- সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা, গোলাপগঞ্জ, ফুলবাড়ী, লক্ষীপাশা, বুধবারিবাজার, ঢাকা দক্ষিণ, লক্ষণাবন্দ, ভাদেশ্বর, পশ্চিম আমুড়া, উত্তর বাদেপাশা, শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন ও বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর, চারখাই, দুবাগ, শেওলা, কুড়ারবাজার, মাতিউরা, তিলপাড়া, মুল্লাপুর, মুড়িয়া ও লাওতা ইউনিয়ন। মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর, উত্তরভাগ, মুনশীবাজার, পাঁচগাঁও, রাজনগর, টেংরা, কামারচাক, মনসুরনগর ইউনিয়ন ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর, মনুমুখ, কামালপুর, আপারকাবাগলা, আখাইলকুড়া, একাটুনা, চাদনীঘাঁট, কনকপুর, আমতৈল, নাসিরাবাদ, মুস্তফাপুর ও গিয়াসনগর ইউনিয়ন। হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার লাখাই, মুড়াকুড়ি, মুড়িয়াউখ, বামৈ, করাব, বুল্লা ইউনিয়ন ও বানিয়াচং উপজেলার বানিয়াচং উ.পূ, বানিয়াচং উ.প, বানিয়াচং দ.পূ, দৌলতপুর, খাগাপাশা, বড়ইউড়ি, খাগাউড়া, পুকড়া, সুবিদপুর, মকরমপুর, সুজাতপুর, মন্দরি, মুরাদপুর ও পৈলারকন্দি ইউনিয়ন।
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া, চিলাউড়া হলদিপুর, রাণীগঞ্জ, সৈয়দপুর শাহারপাড়া, আশারকান্দি, পাইলগাঁও, পাটলি ইউনিয়ন ও দিরাই উপজেলার রফিনগর, ভাটিপাড়া, রাজানগর, চরনারচর, দিরাই সরমঙ্গল, করিমপুর, জগদল, তাড়ল, কুলঞ্জ ইউনিয়ন ও বিশ্বম্বরপুর উপজেলার ফতেহপুর, বাধাঘাট দক্ষিণ, পলাশ, ধনপুর ও সলুকাবাদ ইউনিয়ন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, প্রতিটি উপজেলার জন্য ৪ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট রাখা হয়। এর বাইরেও শঙ্কাপূর্ণ উপজেলায় দেয়া হয় অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট। কেন্দ্র প্রতি মোতায়েন করা হয় পুলিশ, আনসার ও অঙ্গীভূত আনসারের ২২ জনের ফোর্স। এছাড়াও পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি করে টিম প্রতি ইউনিয়নে মোবাইল ফোর্স হিসেবে এবং প্রতি তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করে। প্রতি উপজেলায় ছিলো র্যাবের দুটি মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং টিম এবং মোবাইল টিম হিসেবে বিজিবির দুই প্লাটুন সদস্য। বিজিবির আরও এক প্লাটুন নিয়োজিত রাখা হয় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।
আনন্দবাজার/এম.আর









