- আলোচনা ও মানববন্ধন
শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয় সম্পর্কে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে নীলফামারী মডেল কলেজ, দ্বীপ্তমান মানব উন্নয়ন ও সমাজ কল্যাণ সংস্থা এবং দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থা। আলোচনা সভা শেষে লিফলেট বিতরণ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। গত সোমবার নীলফামারী মডেল কলেজের হল রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা।
সভায় বক্তারা বলেন, সহনীয় মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত শব্দ মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ। শ্রবণ শক্তি লোপসহ উচ্চ রক্তচাপ, মাথাধরা, খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তি বোধ, অনিদ্রাসহ নানা রকম মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। শব্দদূষণে ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, হাসপাতালের রোগী, ট্রাফিক পুলিশ, পথচারী ও গাড়িচালকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার পরিপূর্ণ বিকাশের পথে বাধার সৃষ্টি করছে শব্দ দূষণ। দেশ ও জাতি বঞ্চিত হচ্ছে বিকশিত প্রজন্ম পাওয়া থেকে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশুরা। তাদের মানসিক বিকাশের অন্তরায় শব্দদূষণ। যে কোনো ধরনের শব্দ দূষণই মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে গর্ভবতী মায়েদের। এতে সুস্থ শিশুর জন্মগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আবার শব্দদূষণ যত বেশি সময় ধরে চলে তার ক্ষতিকর প্রভাবও তত বেশি হয়। দীর্ঘস্থায়ী শব্দদূষণের মধ্যে থাকলে একজন মানুষের শরীরবৃত্তীয় বৈকল্য ক্রনিক আকারে দেখা দিতে পারে।
সভায় বক্তব্য দেন নীলফামারী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এমদাদুল হক প্রামাণিক, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা সমাজসেবার প্রবেশন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, শহর সমাজসেবা অফিসার হৃদয় হোসেন, জেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির, মডেল কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক খোকন চন্দ্র রায় প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিচালনা করেন দ্বীপ্তমান মানবউন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থা এবং দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আব্দুল মোমিন।









