চীনা নববর্ষে ছুটি কাটাতে গিয়ে করোনার কারণে চীনা প্রকৌশলী ও কর্মীরা আটকে পড়ায় যথা সময়ে দেশের প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ঢাকার সাথে যশোরকে সরাসরি রেলপথে যুক্ত করবে পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙা অংশ নির্মাণের কাজ চলছিল। এই রেলপথ নির্মাণে বড় নির্ভরতা চীনের প্রকৌশলী-কর্মী আর কাঁচামাল হওয়ায় সেই কাজও থমকে গেছে।
এদিকে, পদ্মাসেতু প্রকল্পের কর্মরত চীনাদের ৩০ শতাংশই দেশে গিয়ে আটকে পড়েছেন।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দুই সপ্তাহের বেশি হয়েছে তারা চীন থেকে ফেরত আসতে পারছে না। যদি এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হয় তাহলে প্রকল্পের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ করতেন আড়াই হাজার চীনা নাগরিক। প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ করে বাংলাদেশ ছেড়েছেন প্রায় ১৩'শ চীনা নাগরিক। এদের মধ্যে সাড়ে তিনশ'র মতো প্রকৌশলী আর কর্মীর ফিরে আসার কথা থাকলেও করোনার কারণে তারা আটকে পড়েছে।
আরেক মেগা প্রকল্প কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে যুক্ত ২৮৮ চীনা নাগরিকের ৪০ জন দেশে গিয়ে আটকে পড়েছেন। বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন নির্মাণ উপকরণ আমদানিও।
চীনা দূতাবাসের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার চীনা নাগরিক। যাদের অন্তত ৪০ শতাংশ নতুন বছর উদযাপন করতে গিয়ে চীনে আটকে পড়েছেন। যার প্রভাব পড়ছে সবগুলো প্রকল্পেই।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস








