এক দিকে শিথিল হয়েছে অঘোষিত লকডাউন, তার সাথে বেড়েই চলেছে সংক্রমণের হার - এর মধ্যেই সাধারণ ছুটি শেষ হচ্ছে। এরপর তাহলে কি হবে? অপরিকল্পিত পদক্ষেপের কারণে পুরোপুরি সুফল মিলছে না অঘোষিত লকডাউনে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অর্থনীতিবিদরাও জানান, ঈদের পরের সময়ে মন্থর অর্থনীতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হতে পারে কঠোর লকডাউনের উত্তম সময়। আর কর্তৃপক্ষের সোজা জবাব অবস্থা বুঝেই নেয়া হবে ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ করোনাকালের ৮০ দিন পেরিয়েছে। এরই মধ্যেই গেল ঈদ। এই পরিস্থিতিতেও ঈদের আগেও ঢল ছিলো বাড়ি ফেরায়। ঈদে বাড়িতে থাকার কথা থাকলেও অনেকেই রাখেননি সেই কথা। আবার উদাসীনতা স্বাস্থ্যবিধি মানতে কিংবা মানাতে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানাযায়ী, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রোগীর হার। ২২ মে থেকে ২৪ মে শনাক্তের হার ছিল ১৭ শতাংশ আর সব শেষ ২৬ মে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ ২১.৩৪ শতাংশ।
অন্যদিকে সাধারণ ছুটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ মে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ গত দুই মাসের ছুটির সুফল ঘরে তুলতে পারেনি। পরিকল্পনায় দরকার আরও দূরদর্শিতা।
অধ্যাপক বে-নজীর আহমেদ জানান, সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত অনেক সুপরিকল্পিত এবং যে সিদ্ধান্তই নেয়া হোক সেটা যেন বাস্তবায়ন করা হয়।
আনন্দবাজার/এস.কে









