প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) ছাড়াই চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়তেছে চিকিৎসকরা। কোনো রকম পার্সোনাল কিছু ইক্যুইপমেন্ট দিয়ে তারা চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে তাদের।
আতঙ্কের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালেই অন্য রোগীদের সেবা দিতে হচ্ছে তাদের। একই সঙ্গে নার্সসহ অন্যান্য সেবাদানকারী স্টাফদেরও নেই নিরাপত্তামূলক কোনো ব্যবস্থা। তবে দু’একদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পিপিই সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন সিভিল সার্জন।
এখন পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা ছাড়া দেশের আর কোথাও করোনা রোগীর শনাক্তের ব্যবস্থা হয়নি। এই অবস্থায় সাধারণ রোগীদের মতোই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীও চলে আসতে পারে চিকিৎসকাদের কাছে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল কনসালটেন্ট ডা. নার্গিস আকতার বলেন, আমার নিজেকে সুরক্ষার জন্য নয়, অন্যকে সুরক্ষার জন্য পিপিই লাগবে।
কনসালটেন্ট ডা. রওশান আরা বেগম বলেন, আমরা আতঙ্কে আছি। আমাদের পরিবার আছে, আমরা আক্রান্ত হলে তারাও আক্রান্ত হবে।
তবে সিভিল সার্জন বলছেন, সাধারণ রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে পিপিই'র প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক নিরপত্তা ব্যবস্থা নিলেই চলবে। তবে চিকিৎসকদের সংগঠন বিএমএ নেতারা জানিয়েছেন, সাধারণ চিকিৎসকদের জন্যও পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্টের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, পজেটিভ রোগী না পাওয়া পর্যন্ত ওইভাবে পিপিই ব্যবহার দরকার নেই। শুধু যারা আউটডোরে সেবা দেবেন তাদের মাস্ক, গ্লাভস ও একটি ড্রেস পড়া জরুরি।
আনন্দবাজার/রনি









