গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার রমজানে নোয়াখালীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে সাধারণ ক্রেতারা। অন্য পণ্যের তুলনায় মাছের দাম কিছুটা বেশি। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে রমজানে বাজার মনিটরিং করার দাবি ক্রেতাদের। ব্যবসায়ীরা বলছে গত ২-৩ মাস বাজারের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থাকলে তা বর্তমানে কমে এসেছে। এতে করে সাধারণ ক্রেতারা খুশি।
জানা গেছে, রমজানকে সামনে রেখে গত কয়েক মাস ধরে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে অস্থিরতা ছিলো। ক্রেতাদের লাগামের বাইরে ছিলো কাঁচামাল সহ সকল পণ্যের মূল্য। বর্তমানে বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে, কমছে পণ্যের দাম। সরকার জেলার বিভিন্ন স্থানে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা বাজার স্বাভাবিক হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বর্তমানে ছোলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৩টাকা, সয়াবিন তেল ১৬২ টাকা, মসারি ডাল ১২০টাকা ও চিনি ৮০ টাকা করে খুচরা বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও দুইশ টাকা থেকে ১৬শ’ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মানের খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েকদিন আগেও জিনিসপত্রের মূল্য নিয়ে ক্রেতাদের সাথে বাকবির্তক হতো। গত কয়েকদিনের তুলনায় বাজারে জিনিস পত্রের দাম কমে যাওয়ায় বর্তমানে সাধারণ ক্রেতারা খুঁশি আছেন। সাধারণ ক্রেতাদের দাবি পুরো রমজান জুড়ে বাজারে দ্রব্য মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রশাসনিকভাবে বাজার মনিটরিং'সহ যথাযত ব্যবস্থা সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট নিজেরাই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে পেলবে।









