ঢাকায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার নিষেধাজ্ঞার একদিন পরেই শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। করোনাভাইরাস যখন তার থাবা প্রশ্বস্ত করে মেলে ধরছে ঠিক তখনই দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ছুটেছে হাজার হাজার মানুষ।
শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ঘাটে স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের এই চাপ পড়েছে। সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে যাত্রীরা পারাপার হচ্ছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বাড়ালেও ঘাটে যানবাহনের চাপে পরিস্থিতি চলে গেছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
এদিকে ঘরমুখো মানুষের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। যানবাহনের অভাবে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক চড়ে গুনতে হচ্ছে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া। এমন গাদাগাদির মধ্যে নারী, বৃদ্ধ ও শিশুরা পড়েছেন চরম বিপাকে। বরিশাল, খুলনা, ভোলা, গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রওনা হয়েছে মানুষ।
যাত্রীর চাপ সামলাতে ৪টি ফেরি থেকে বাড়িয়ে ১৩টি ফেরি চালু করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। রাতে সীমিত সংখ্যক ফেরি চললেও সকাল হতেই মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ফেরি কর্তৃপক্ষ।
বিআইডাব্লিউটিসি কাঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার আ. আলীম বলেন, রাতে ফেরি চলাচল সীমিত করে ৪টি চালালেও যাত্রীচাপে সোমবার সকাল থেকে ১৩টি ফেরি চালু করতে বাধ্য হই। ওপার থেকে হাজার হাজার যাত্রী আসছে এপারে।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস









