১৯৮৮ সালের পর এই প্রথম মে মাসের শেষে এত পরিমাণ পানি এসেছে যমুনায়। ৩২ বছর পর যমুনায় সর্বোচ্চ পরিমাণ পানি রেকর্ড করা হয়েছে। যার ফলে আগামী ১৫ জুন থেকে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘পানি বৃদ্ধির কারণে বাঁধ যাতে ভেঙে যেতে না পারে এজন্য আমরা পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ এবং প্লাস্টিক ব্যাগ মজুদ রেখেছি। এজন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সার্বক্ষণিক মাঠে আছে। আমরা ইতিমধ্যে বন্যার মধ্যে প্রবেশ করেছি। আমরা সর্বশক্তি নিয়োগ করে সিরাজগঞ্জবাসীকে বন্যা এবং নদী ভাঙনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করব। সে লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যেন করোনার সময়ে বাঁধ ক্ষতিসাধন হয়ে মানুষের জানমালে ক্ষতি করতে না পারে।’
নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, চলতি জুন ও জুলাই মাস বন্যার মাস। দেশে বন্যা হয়ে থাকে এই দুই মাসে। এ বছর মে মাসের শেষে যে পরিমাণ পানি যমুনায় এসেছে তা ১৯৮৮ সালের পর আর আসেনি। ৩২ বছর পর যমুনায় সর্বোচ্চ পরিমাণ পানি রেকর্ড করা হয়েছে।
আনন্দবাজার/এস.কে









