রাষ্ট্রায়ত্ত উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১ হাজার কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে। তারা এই ঋণ বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের জন্য সরকার ঘোষিত ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ধেকে পেয়েছে। এছাড়া চলতি মূলধন হিসেবে সোনালী ব্যাংক থেকে গত মে মাসে এ ঋণ পায় বিমান, যা বোয়িং থেকে কেনা উড়োজাহাজের কিস্তি, উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ, লিজে আনা উড়োজাহাজের ব্যয় ও ফ্লাইট পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সব ব্যয় মিলিয়ে বিমানের মাসে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। সেই হিসাব অনুযায়ী আগামী মাসের মধ্যেই প্রণোদনার এ অর্থ শেষ হওয়ার কথা।
ঋণ নেয়ার সময় বিমান কর্তৃপক্ষ বলেছিল, প্রতি মাসে ২৬৬ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বহরে থাকা ১৮টি উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ করতেই। এছাড়া প্রতি মাসে ৯৮ কোটি টাকা যাচ্ছে লিজে আনা ছয়টি উড়োজাহাজের জন্য, বোয়িং থেকে কেনা উড়োজাহাজের কিস্তি ৭০ কোটি টাকা। এর মানে উড়োজাহাজ লিজ রেন্ট, মেইনটেন্যান্স ও ব্যাংকঋণের কিস্তি আসে মাসে ৪৩৪ কোটি টাকা। এর বাইরে রয়েছে ফ্লাইট পরিচালনার ব্যয়।
এদিকে মাসে ৪০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও বর্তমানে ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বিমানের আয় নেই বললেই চলে। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ১ জুন থেকে চালু হয় অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট। তবে যাত্রী সংকটের প্রথম দিনেই বাতিল হয় ১০টি ফ্লাইট। পরবর্তী সময়ে যাত্রী না পাওয়ায় ধাপে ধাপে ১২ জুন পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে সব অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট।
আনন্দবাজার/এস.কে









