- শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার তালসারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরীব ছাত্রীদের বাইসাইকেল প্রদানে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করার পর অর্থ বানিজ্যের দায় স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক।
জানা গেছে, করোনাকালীন সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সংসদ সদস্যদের বরাদ্দকৃত অর্থ হতে দামুড়হুদা উপজেলার ৩৫ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২০ জন গরীব ছাত্রীদের বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়া আসা সহজতর করতে সাইকেল প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর এই মহতী উদ্যোগকে পুঁজি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা শুরু করেন শহিদুল ইসলাম।
আত্মসাতের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন কৌশলে শহিদুল ইসলাম সাড়ে পাঁচশ' টাকা করে হাতিয়ে নেন স্কুলের ১২০ জন ছাত্রীর কাছ থেকে। তবে সেই অর্থ হজম করতে পারেননি তিনি। স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা গলার কাঁটা হয়ে দাড়ান শহিদুল ইসলামের। সংবাদ প্রকাশ হবে এমন ভেবেই গোপনে ছাত্রীদের পরিবারকে ভয় দেখিয়ে ৩০০ টাকা করে ফেরত দেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানান, সরকার দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন হওয়ায় নাকি এলাকায় দাপট দেখিয়ে চলেন শিক্ষক শহিদুল। স্কুলের অভিভাবক থেকে শুরু করে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয়দের ভাষ্য তিনিই যেন এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই ভীতি লক্ষ্য করা যায় স্কুলের শিক্ষকদের চোঁখেও।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, সাইকেল প্রদান বাবদ ছাত্রীদের কাছ থেকে ৫৫০ টাকা নেয়ার অভিযোগ সত্য নয়। তবে হ্যাঁ আমি ১৫০ টাকা করে খরচের টাকা নিয়েছি। যা আমার আসলেও নেওয়া ঠিক হয়নি।
এদিকে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ছিলো গত রোববার কিন্তু সভাপতি এলাকার না থাকার কারনে পরবর্তী দিন হয় গত সোমবার। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। তবে কবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এমন প্রশ্ন রয়েই গেছে।









