আজ পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। ফজরের নামাজ শেষে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন হাজিরা। সেখানে অবস্থান করবেন সূর্যোদয় পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার রাতে মুজদালিফায় থেকে শুক্রবার মিনায় ফিরে কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের সকল আনুষ্ঠানিকতা। লাব্বায়িক আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক ধ্বণিতে মুখরিত হয়ে থাকবে আরাফাতের ময়দান।
ফজরের নামাজ শেষে মিনায় অবস্থানরত মুসল্লিদের গন্তব্য এটাই। জোহরের ওয়াক্তের আগেই সেখানে পৌঁছতে হবে। সারাদিন আরাফাত প্রান্তরে অবস্থান করে মসজিদে নামিরাহ থেকে দেয়া খুৎবা শুনবেন তারা। হজে এবার বাংলাসহ ১০ ভাষাতে খুতবা অনুবাদ করা হবে। পরে জোহর ও আসরের নামাজ একই ইমামের পেছনে আদায় করবে হাজিরা। ধনী-গরিব ভেদাভেদ না রেখে সবার পরনে একই সেলাইবিহীন কাপড়, কণ্ঠে এক সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠত্ববাদ।
প্রায় ১৪০০ বছর আগে এ ময়দানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) লক্ষাধিক সাহাবিকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।
সূর্যাস্তের সাথে সাথে মিনায় ফেরার পথে মুজদালিফায় রাতে অবস্থান করবেন হাজিরা। খোলা আকাশের নিচে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন একসঙ্গে। মিনায় জামারাতে শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য এখান থেকেই পাথর সংগ্রহের নিয়ম রয়েছে।
তবে এবছর করোনার কারণে আগেই হাজীদের জীবাণুমুক্ত পাথর সরবরাহ করা হয়েছে। রাতে সেখানে অবস্থানের পর ১০ জিলহজ শুক্রবার ফজরের নামাজ শেষে সূর্যাস্তের আগেই মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। আগামী শুক্রবার সৌদি আরবে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। মিনায় গিয়ে জামারাতে বড় শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপের পর কোরবানি করা হবে।
এদিকে বুধবার রাতে হজ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো পরিবর্তন করা হয়েছে পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফ। নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ফিরে এসে হাজীরা স্বর্ণখচিত পবিত্র কুরআনের আয়াত সংবলিত নতুন গিলাফে সজ্জিত পবিত্র কাবা শরীফ দেখতে পাবেন।
আনন্দবাজার/তা.তা









