মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আখের জমি পরিচর্ষায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক। উপজেলার আটপাড়া বীরতারা ও তন্তর এলাকায় জমিতে অমৃত ও ২৭ জাতের আখের চাষ করা হচ্ছে। আলুর সাথি ফসল হিসেবে অনেকে জমিতে আখের চারা রোপণ করা হয়ে থাকে। আলু উত্তোলন শেষে জমিতে এখন আখের পরিচর্যা করা হচ্ছে। জৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসেই এ অঞ্চলে জোয়ারের পানিতে ফসলী জমি ডুবতে শুরু করে। শ্রাবণ, ভাদ্র আশ্বিন মাসে জমি থেকে আখ বিক্রির জন্য হাটে তোলা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বীরতারা সাতগাঁও, তিনগাঁও, আটাপাড়া কল্লিগাঁও এলাকায় জমিতে সারি সারিভাবে রোপনকৃত আখের চারা এরই মধ্যে ছোপ আকার ধারণ করছে। পরিণত হচ্ছে। প্রতিটি আখ ছোপের মূল অংশে উঁচু করে মাটি দেওয়ার পাশাপাশি আখ থেকে মরা ও ঝড়া পাতা পরিস্কার করা হচ্ছে। এতে আখ দৃশ্যমান হচ্ছে।
স্থানীয় আখ চাষিরা জানায়, বছরের এ সময় খালে জোয়ারের পানির চাপ বেশী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে যে কোন সময় জমিতে পানি উঠে যেতে পারে। তারা জানান, এসব জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছিল। সাথি ফসল হিসেবে আখের চারা রোপণ করা হয়। বর্তমান আলুর বাজারদর দেখে লোকসানের কথাই ভাবছেন তারা। এখন অ খের ক্ষেতি করে আলুর লোকসানের কিছুটা কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন বলেন তারা। শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার শান্তনা রানী বলেন, এ অঞ্চলে আখ চাষে সরকারিভাবে কোন সাহায্য সহযোগীতা আসে না। স্থানীয় কৃষকরা নিজ উদ্যোগেই আখ চাষ করে থাকেন। তবে রোগবালাই ও অধিক ফলনের লক্ষ্যে আখ চাষে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হয়। ধারনা করা হচ্ছে উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আখ চাষ হয়েছে।









