হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার খবরে ফরিদপুরের বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন তেল শূন্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পেট্রোল ও অকটেন মিলছে না বেশিরভাগ পাম্পেই। চাহিদার তুলনায় তেল সরবরাহ কম হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করছেন পাম্প মালিকরা। অন্যদিকে, হুট করেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার খবরে সব ধরনের পরিবহনে তার ধাক্কাও লেগেছে। কেউ কেউ কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বন্ধ রেখেছেন তেল বিক্রি। এতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তেল কিনতে আসা ক্রেতাদের।
সরেজমিনে গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন ছিল প্রায় ফাঁকা। তবে, বেশ কয়েকটা স্টেশনে শুধুমাত্র মোটরসাইকেলেই কিছুটা পেট্রোল বিক্রি করতে দেখা গেছে । তাছাড়া বাস ট্রাক এবং অন্যান্য পরিবহণ তেমনটা চোখে পড়েনি।
জেলা শহরের পাম্পগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন তেমন নেই। তবে, কিছু কিছু পাম্পে শুধুমাত্র ডিজেল আছে। তবে, সেগুলো চাহিদার তুলনায় কম হবার কারণে অল্প পরিমাণে বিক্রি করছে তেল। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট গাড়ি মালিকরা পড়ছেন বিড়ম্বনায়।
জেলা শহরের একটি পাম্পে তেল নিতে এসেছিলেন রফিকুল ইসলাম। কিন্তু পাম্পে নেই পেট্রোল। তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনছেন অকটেন। সেটিও সামান্য পরিমাণে। কারণ পাম্প থেকে বেশি পরিমাণে তেল দিচ্ছে না।
ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, হঠাৎ করে এভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে তাদের মারাত্মক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এছাড়া চাহিদার তুলনায় অপেক্ষাকৃত সরবরাহ কম রয়েছে তেলের।
বেশ কয়েকজন তেল ব্যবসায়ী বলেন, শুধুমাত্র যাদের জ্বালানি তেল প্রয়োজন তারাই বেশি দামে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছেন। এইভাবে হঠাৎ করে তেলের দাম বৃদ্ধি না করে একটু সময় নিয়ে এবং পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করলে সবার জন্য ভালো হতো। তাতে সবার উপকার হত।
প্রসঙ্গ, এতোদিন ডিজেল পেট্রোল অকটেন বিক্রি হতো যথাক্রমে ৮০, ৮৯ ও ৮৬ টাকা প্রতি লিটার। অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার (৫ আগস্ট) দিনগত রাত থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪, ১৩৫ ও ১৩০ টাকা। আর বাড়তি দামটাই তাদের জন্য একটা অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।









