ওরা সাতঁজন। জেলা ও উপজেলার প্রতিটি হাসপাতালে বিচরণ তাদের। পাঁচজন মূল দায়িত্বে থাকে। দুইজন দূর থেকে তাদের মনিটরিং করে। এরা হলেন, বগুড়া জেলার ধনুক মোড়ের মোস্তাফিজার রহমানের স্ত্রী রিয়া(১৯), জিয়ানুরের স্ত্রী মুক্তা(১৯), জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ এলাকার সাগরের স্ত্রী নূপুর(১৭), নূরুর স্ত্রী সাবিনা(২৫) ও আক্কাস আলীর স্ত্রী আম্বিয়া(২৫)।
গত রবিবার দুপুর ১২টায় নীলফামারীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে সাঁত সদস্যসের পাচঁজনকে আটক করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বাকি দুইজন পালিয়ে যায়। আটককৃতদের পেশা হলো অসুস্থ্য রোগীসেজে টিকিট সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সামনের মহিলার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে কৌশলে মোবাইল ও টাকা বের করে নেয়। এবং সঙ্গে সঙ্গে অপর দুই সঙ্গীর মাধ্যমে হাত বদল করে ফেলে। আবার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রাত্রীযাপন করে। মধ্যরাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে তখন তারা সুযোগ বুঝে ভর্তিকৃত রোগীদের টাকা পয়সা নিয়ে চম্পট দেয়। দুপুর ২টায় হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ পুলিশের হাতে তাদের সোর্পদ্দ করে। অভিযুক্তরা বেঁদে সম্প্রদায়ের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা এ চক্রের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রউপ জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা ক্ষতিগ্রস্থ কেউ অভিযোগ দায়ের না করায় পুলিশ বাদী হয়ে সোমবার মামলা দায়ের করে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।









