করোনার কারণে কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী ইউনিয়নে সিএনজি-টমটম বন্ধ থাকায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছে প্রায় ৪’শ পরিবার। এ পরিস্থিতিতে ত্রাণ সহায়তার দাবিতে ১৪এপ্রিল মঙ্গলবার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থান নেয় তারা। খবর পেয়ে ভারুয়াখালীর চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার লাপাত্তা হয়ে যায় এবং পরিষদ তালা বদ্ধ অবস্থায় রাখা হয় সারাদিন।
জানা যায়,কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী ইউনিয়নে প্রায় ৫শ জনের মত সিএনজি-টমটম চালক রয়েছে। তারা বেশিরভাগই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। বিপরীতে রয়েছে ৪ থেকে ৬ জন করে পরিবারের সদস্য। এর পরও সারাদিন সিএনজি-টমটম চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে কোনরকম চলছিল তাদের সংসার।কিন্তুু করোনার কারণে গত এক মাস ধরে রাস্তায় টমটম-সিএনজি নিয়ে বের হতে পারছে না তারা।কেউ কেউ বের হওয়ার চেষ্টা করলেও আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর বাঁধার মুখে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হয় বাড়িতে। এতে করে আয় রোজগার বন্ধ থাকায় চরম অভাব অনটনে দিন কাটছে এসব সিএনজি-টমটম চালক পরিবার গুলোর।
সিএনজি ড্রাইভার হাবিব উল্লাহ বলেন, করোনায় আমরা মরবো না, তার আগেই না খেয়ে আমরা মারা যাবে। গত একমাস হলো সিএনজি নিয়ে বের হতে পারি না। শুনেছি, আমাদের জন্য সরকার অনেক সহায়তা দিয়েছে।তার কিছু আমরা পাইনি। তাই সবাই এক যোগে পরিষদে এসেছি।এসে দেখি, চেয়ারম্যান নাই। পরিষদ তালা ঝুলিয়ে বাকিরা চলেগেছে।
বিষয়টি স্বীকার করে ভারুয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার বলেন, সিএনজি-টমটম চালকরা পরিষদে আসবে সেটি আমি আগে থেকে জানতাম না। তবে তারা এসেছে জেনে পরিষদে আসেনি সেটা ঠিক নয়।
শফিকুর রহমান সিএনজি-টমটম চালকদের দুর্দশার কথা ম্বীকার করে বলেন,সরকার থেকে মাত্র দুইটন চাল পরিষদকে দেয়া হয়েছে। চাল গুলো আমার ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডে ভাগ করে দিয়েছি। এক ওয়ার্ডে ১৫থেকে ২০ জনকে করে মোট ২০০শ পরিবার তা পেয়েছে।সেখানে হয়তো ড্রাইভারদের ১৫জন মত পেয়েছে।আমি যদি না পাই কোথাথেকে এত গুলো মানুষকে দেবো।
আনন্দবাজার/শহক/জ









