স্মরণকালের ভয়াবহতম প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় কাটছে সবার জীবন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডামুড্যা উপজেলার জনগনকে নিরাপদে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ডামুড্যা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন। থেমে নেই তার অনুপ্রেরণাকারী স্ত্রী, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সহধর্মীনি ডাক্তার ফাতিমা মাহজাবীন।
ডাক্তার ফাতিমা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা শত শত অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষদের ফোনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে ডামুড্যাবাসীর ভরসার নাম হয়ে উঠেছেন জনাব আবদুলাহ আল মামুন ও তার সহধর্মীনি ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের চিকিৎসক ডাক্তার ফাতিমা মাহজাবীন।
উপজেলা সূত্রে জানা যায়, নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা না ভেবে ঘরে অন্তঃসত্ত্বা সহধর্মীনিকে রেখেই জনগনদের জন্য রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জনাব আবদুলাহ আল মামুন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাটবাজার ও গ্রামে জনসচেতনতা তৈরী, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে ও জনগনকে ঘরে রাখতে চালিয়ে যাচ্ছেন নানামূখি কার্যক্রম।
ডামুড্যা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এই করোনা যুদ্ধে নিজের শেষটুকু দিয়ে যেতে চাই। জনসাধারণকে সচেতন করতে পারলেই এ যুদ্ধে আমরা জয়ী হতে পারবো। ঘরে যেতে ভয় হয়। স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তার দিকেও খেয়াল রাখতে হয়।
ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফাতিমা মাহজাবীন বলেন, সবসময় রোগীদের পাশে ছিলাম, এখনো আছি। আর্তমানবতার সেবায় নিজের সবটুকু দিয়ে সেবা করতে চাই। তাই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আমি ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের দিন রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। দেশের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানোটা আমাদের সবচেয়ে বড় কর্তব্য।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস/ও এফ









