পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি নানিয়ারচরের বুড়িঘাট ২নং টিলা থেকে কুকুরমারা সংযোগ পাহাড়ি সংযোগ পথটি ৪টি গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম হলো একমাত্র পাহাড়ি আকাবাকা সড়কটি। নানিয়ারচর সদর ও জেলায় যাতায়াতের প্রধান ও অন্যতম ভরসা এ পাহাড়ি সড়কটি। একটানা প্রবল বৃষ্টিপাত বা ৩০-৪০ মিনিট টানা বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে এসে যাতায়াতের পুরো মাটির রাস্তাটি বর্তমানে ভেঙে যাচ্ছে। এতে চলাচলে অনেকটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বর্তমানে চলাচলের রাস্তাটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ৪টি গ্রামের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এ সড়কটি। গত দুই বছর আগে সড়কটি সংস্কার হলেও বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। পাহাড়ি সড়কটি দিয়ে (নিচপুলি পাড়া), মধ্যপুলি পাড়া, নানাক্রম, বুড়িঘাট গ্রামের স্থানীয়রা জনসাধারণ যাতায়াত করে থাকেন। তাছাড়া এ রাস্তা ছাড়া আর বিকল্প রাস্তা নেই। বর্ষা মৌসুমে নিরূপায় হয়ে চলাচল করতে হয়। বয়োবৃদ্ধদের জন্য চলাচলে মারাত্বকভাবে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে জীবনের ঝুঁকিতে যাতায়াত করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বর্তমানে মেরামত বা ইটের সলিং করা না হলে বর্তমানে পাহাড়ি ঢলে রাস্তাটির কোনো চিহ্ন থাকবে না। এলাকাবাসীদের কথা বিবেচনা করে রাস্তাটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বুড়িঘাট ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের এলাকাটি দূর্গম। বর্তমানে বৃষ্টিতে খুবই খারাপ অবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা একমাত্র এ রাস্তাটি। তবে রাস্তাটি চলাচলে অকেজো হয়ে আছে, এখন শুধু তাকিয়ে আছি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকে। তারা স্বহৃদয় হয়ে এগিয়ে আসলে এলাকাবাসীদের জন্য মঙ্গল হবে।
এদিকে স্থানীয় গ্রামবাসীর দাবি আনুমানিক ৬ কিলোমিটার সড়কটিকে দ্রুত একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে অন্ততপক্ষে ৪ টি গ্রামের যাতায়াতকারী হাজারের বেশি লোকের এ অসুবিধা থেকে কষ্টের লাঘব হবে।
নানিয়ারচর উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা প্রনব রায় বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।









