সাতক্ষীরার কলারোয়ার উৎপাদিত গলদা চিংড়ি ও সাদা মাছ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতি মৌসুমে ৯ হাজার ৩ মেট্রিক টন মাছ রপ্তানি হচ্ছে।
কলারোয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, কলারোয়া উপজেলায় একটি পৌরসভাসহ ১২ ইউনিয়নে মোট ১৪০টি গ্রামে জলাশয় রয়েছে। এর মোট আয়তন ৪ হাজার ৩শ’ ১৪ দশমিক ৬৪ হেক্টর। এর মধ্যে পুকুর ৮ হাজার ৬৯০টি। যার আয়তন ১ হাজার ৩৬ হেক্টর, জলমহল তিনটির আয়তন ৬৫ দশমিক ৪২ হেক্টর, নদী ৩টির আয়তন ৭০ হেক্টর, খালের সংখ্যা ৯টি। যার আয়তন ৮০ হেক্টর। প্লাবনভূমি ৮টি, আয়তন ৩২০হেক্টর। এখানে ২ হাজার ২৫৮জন মৎসজীবি ও ৮ হাজার ২০০ জন মৎস্যচাষি রয়েছে।
মোট জলাশয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গলদা চিংড়ি ও সাদা মাছের ঘেরের সংখ্যা ৩ হাজার ৭শ’ ৫৫টি। এর মধ্যে গলদা চিংড়ি চাষ ৬৪৬.৭৫টিতে। বাকি ২৯৮০টি ঘেরে বিভিন্ন সাদা মাছ যথা কার্প জাতীয় মাছ, শিং মাছ, পাবদা মাছ, গুলশা মাছ, মনোসেক্স তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছ, কৈ মাছ, রুই কাতলা মৃগেল মাছের চাষ করা হয়।
উল্লেখিত মৎস্যঘের সমূহে মোট মাছের উৎপাদন প্রতি মৌসুমে ১৪ হাজার ৩. টন। এর মধ্যে গলদা উৎপাদন হয় ৪৩৫ টন।
এ উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ জন। উৎপাদিত মাছে মোট জনসংখ্যার জন্য চাহিদা হচ্ছে ৫ হাজার টন। উদ্বৃত্ত ৯ হাজার ৩ মেট্রিক টন মাছ দেশের বিভিন্ন জেলাসহ গলদা চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে মোটা অঙ্কের রাজস্ব আয় করে থাকে। অত্র এলাকার মৎস্যচাষিদের দাবি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর যদি মৎস্যচাষের উপরে সহজ শর্তে ঋণ দেয়। তাহলে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে আরো বেশি মাছ বিদেশে রপ্তানি করে রাজস্ব আয় বাড়াতে সক্ষম হবে।









