করোনার ছোবলের মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে পুরোদমে এগিয়ে চলছে পাবনার পাকশীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণকাজ। প্রকল্প থেকে সময়মত বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সহ আটটি দেশের প্রায় দুই হাজার নির্মান শ্রমিক নিরলস বাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রকল্পটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
রূপপুর পারমানবিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতেও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আগের মতো পুর্ণোদ্যমে চলমান রয়েছে। করোনা ভাইরাস যাতে এই প্রকল্পের কাজে কোন বাধা হতে না পারে, সেজন্য সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রকল্পের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস বলেন, রাশিয়ার আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশে প্রথম নির্মিত এই প্রকল্প ২০২৩ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা রয়েছে। ফলে করোনা সতর্কতা অবলম্বন করেই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
এদিকে রুশ রাষ্ট্রীয় পারমানবিক শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ এক বিবৃতিতে করোনা ভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগনের জীবন ও স্বাস্থ্যকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে জরুরী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে রাশিয়ার পারমানবিক বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত যে সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, যথাসম্ভব বেশি সংখ্যক লোককে দূর থেকে কাজ করার সুযোগ প্রদান, প্রচুর পরিমানে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ও হাইজিন পন্য সংগ্রহ, কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বাতিল।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমানবিক প্রকল্পে রাশিয়া, চীন, ইরান, ভারত বেলারুস সহ আটটি দেশের প্রায় দুই হাজার বিদেশী নাগরিক কর্মরত রয়েছেন। তাদের সাথে যুক্ত আছেন বাংলাদেশী শ্রমিকরাও।
আনন্দবাজার/শহক







