চীনে করোনাভাইরাস আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে এর ভয়াবহতা কিছুটা আঁচ করা গেলেও চীনা গণমাধ্যমে তার তেমন কোনও লক্ষণই দেখা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে ভয়াবহতা তুলে না ধরে ডাক্তার-নার্সদের হৃদয়স্পর্শী কাহিনি শুনিয়েই জনগণকে শান্ত রাখতে চাইছে জিনপিং সরকার।
প্রোপাগান্ডার তলোয়ার হিসেবে নারীর শরীর ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে লেখা প্রতিবেদন মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাটে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা। তাদের জোর করে চুল কাটতে বাধ্য করা হয়েছে কি না নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে অভিযুক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, নারী কর্মীরা স্বেচ্ছায় চুল কাটতে রাজি হয়েছিলেন।
এসবের প্রতিবাদ করে কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু লিখলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।নারীদের চুল কাটা নিয়ে সমালোচনার ঝড় মূলত চীন সরকারের ছড়ানো প্রোপাগান্ডা। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ৭০ হাজারের ওপর আক্রান্ত হয়েছেন বলে যে তথ্য দিচ্ছে কমিউনিস্ট সরকার, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে খোদ চীনাদের মনেই।
টিউটের পরিচালক স্টিভ স্যাং বলেন, সামান্য সমালোচনার অনুমতি এবং মানবিক গল্পে মনোনিবেশ করার মাধ্যমে তারা মানুষকে আরও বিশদ বিষয় নিয়ে আলোচনা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে।
আনন্দবাজার/তাঅ









