- বাড়ি মজলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সোনারগাঁ উপজেলার বাড়ি মজলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ময়লা পানি ও আবর্জনার পেরিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। র্দীঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির সামনে বৃষ্টির ময়লা পানি জমে ও আবর্জনার স্তুপ থাকলেও পানি নিস্কাশন ও ময়লা-আবর্জনা পরিস্কারের কোনো উদ্যাগ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এতে পানিবাহিত রোগসহ নানা অসুখের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আজ থেকে শত বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় বাড়ি মজলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। প্রথমে একটি টিনের চালার মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিদ্যালয়ের জন্য একটি দ্বিতলা ও একটি এক তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৩৫ জন। শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনই ময়লা আর্বজনা পেরিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হয়। শুধু প্রবেশ পথেই নয় ময়লা আবর্জনার গন্ধ শিক্ষার্থীদের ক্লাসেও প্রবেশ করে। ময়লা আর্বজনা র্দুগন্ধ ও ময়লা পেরিয়ে স্কুলে প্রবেশ করার কারণে অনেক শিক্ষার্থীই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।
অভিভাবকরা জানান, এক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মনোরম পরিবেশ থাকার কারণে তাদের শিশুদের এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে ছিলেন। গত করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে র্দীঘদিন স্কুলটি বন্ধ থাকার কারণে এক শ্রেণির অসাধু খাবার হোটেলের ব্যবসায়ীরা তাদের হোটেলের বিভিন্ন ময়লা আর্বজনা বিদ্যায়লের সামনে ফেলার কারণে এখন বিদ্যায়লটির মূল ফটক থেকে পুরো স্কুলের সামনে এখন ময়লা আর্বজনার স্তুপে পরিণত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুলে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।
বিদ্যায়লটির প্রধান শিক্ষক নারগিছ আক্তার বিদ্যালয়রে বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে বলেন, গত করোনা ভাইরাসে র্দীঘদিন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকার কারণে আশপাশের হোটেল ব্যবসায়ীরা তাদের ময়লা আবর্জনা বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছে। বর্তমানে এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু প্রবেশ পথ নয় এখন ময়লা আর্বজনার গন্ধে বিদ্যালয়ে ক্লাস করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠার পরও কেউ প্রতিষ্ঠানটির পরিস্কার পরিছন্নে মনোযোগ দেন না।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দৈলরত রহমান জানান, বিদ্যালয়টির ময়লা ও আর্বজনার আমি দেখেছি। পুরো পরিবেশই অস্বাস্থ্যকর। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে বিদ্যালয়টির সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করবো।









