গত ১২ ঘণ্টায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ১৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া গত ১২ ঘণ্টায় ঘাঘট নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে গাইবান্ধা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানিও বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বাড়ার ফলে হুমকিতে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। এছাড়া পানির চাপে বাঁধ ভেঙে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রবেশের আতঙ্কে রয়েছে জেলার কয়েক লাখ মানুষ।
জানা যায়, পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ২৬টি ইউনিয়নের এক লাখ ৪৬ হাজার মানুষ। তারা উঁচু স্থানে মাচা করে এবং অনেকে বাঁধে আশ্রয় নিচ্ছেন। তবে দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
এ ব্যাপারে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আজাদ শীতল বলেন, গাইবান্ধা সদরের বাদিয়াখালি ব্রিজ থেকে সাঘাটার কচুয়াহাট পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকিতে রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ প্রসঙ্গে গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী বলেন, জেলার সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের এক লাখ ৪৬ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে এক লাখ ২২ হাজার ৩২০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ৩২০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১৫ লাখ টাকা, শিশুখাদ্য চার লাখ, গোখাদ্য দুই লাখ ও ১৮ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।









