পরমাণুবিজ্ঞানীর মৃত্যুবার্ষিকী--
বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়াকে নিরহংকারী, প্রচারবিমুখ, অনুকরণীয় প্রাণের দৃষ্টান্ত বলে অভিহিত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জোহরের নামাজের পর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ড. ওয়াজেদ মিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু আমি আওয়ামী লীগ সভাপতির বিশেষ সহকারী হিসেবে বেশ কয়েক বছর কাজ করেছি, সেজন্য তাকে নিয়ে আমারও কিছু স্মৃতি আছে। তিনি একজন নিভৃতচারী, নিরহংকারী, মিতভাষী মানুষ ছিলেন, সবাইকে আপন করে নিতেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া যে জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রীর স্বামী, সেটি অনেকেই জানতো না। নিজ গুণে, নিজ নামেই পরিচিত এই মানুষটি পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি একজন গবেষক ছিলেন। তার গবেষণালব্ধ বই ভারতে পাঠ্যবই হিসেবে ব্যবহার করা হয়।’
ড. হাছান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যরা জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর দুঃসহ বেদনাক্লিষ্ট বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে শেখ হাসিনা এবং ছোট মেয়ে শেখ রেহানাকে সাহস দিয়ে আগলে রাখার মহান ও দুরূহ কাজটি ড. ওয়াজেদ মিয়া করেছেন।’
স্মৃতিচারণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সালটি সম্ভবত ২০০৫, সুধা সদনের আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছি। তিনি বলেছিলেন- তার মনটা একটু ভালো। কারণ, বাড়ির ঋণটা শোধ হয়েছে। আমি বললাম, দুলাভাই কোন বাড়ির ঋণ? তিনি সুধাসদন দেখিয়ে বললেন, এই বাড়ির ঋণ। আপনারা জানেন, তার ডাকনাম সুধা মিয়া, সেই নামেই সুধা সদন হয়েছে। এই মানুষটি আওয়ামী লীগের কোনও নেতাকে বললেই ঋণ আরও আগেই পরিশোধ হয়ে যেতো। কিন্তু তিনি কাউকে বলেননি। নিজেই কিস্তিতে ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ সম্পূর্ণ শোধ করেছেন।









