নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সিজান জুস কারখানায় ২০২১ সালের ৮ জুলাই ভয়াবহ আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে ৫২ জন মারা গেছে বলে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। একই বছর ২৪ ডিসেম্বর ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ নিহত হয়।
শীত ও গরম মৌসুমে আগুন লাগার ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। প্রতি বছর ২০ হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল এই পাঁচ বছরে অগ্নিকাণ্ডের কারণে মোট ৩ হাজার ৯৩ জন নিহত এবং ১৩ হাজার ৮৬৩ জন আহত হয়।
শীতকালে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকেও আগুন লাগার ঘটনা বেশি ঘটে শীতেই। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়ায়।
দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ি, ডিসেম্বর থেকে মার্চ, এই চার মাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেড়ে যায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ১২০টি। আবার পরের বছর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে আগুনের ঘটনা ঘটে ২ হাজার ৭৬টি।
এছাড়াও ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ২ হাজার ২৭১টি, ফেব্রুয়ারিতে ২ হাজার ৩৮৩টি, মার্চে ২ হাজার ৬৪৪টি ও এপ্রিলে আগুনের ঘটনা ২ হাজার ৮৬১টি। এ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, শীতের মৌসুমে বেশি আগুনের ঘটনা ঘটে থাকে।
গত ১১ বছরে দেশে সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে। পুরান ঢাকার নিমতলীতে ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছিল ১২৪ জন। পরের বছর ২০১১ সালে সাভারের আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান ১১১ জন। ২০১৬ সালে টঙ্গীর টাম্পাকো ফয়েলস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে মারা যান ৪১ জন।









