ফাহিম ওয়াহিদ রাফিখুব অযত্নে আছি, কেউ নেই যত্ন নেওয়ার। খুব কষ্ট আছি, কেউ নেই একটু সুখ দেবার। অনাহারে থাকি, কেউ নেই খোঁজ খবর রাখার! জীবনটা আজ প্রায় মৃত, কেউ নেই একটু সাহস যুগিয়ে দেবার! কেউ নেই, কেউ নেই আমাকে ভালবাসার। ঘরে নেই, বাহিরে নেই খুব কাছের একটা বন্ধু নেই! কেউ নেই, ব্যর্থ সময়ে আমাকে আগলে রাখার! আমি অসফল আমার কেউ নেই। কেউ নেই একটু সুখ দেবার, হ্যাঁ আমি অনেক একা, ভীষণ একা! ছায়া নেই মায়া নেই, দিন শেষে আমি আমার! বিশেষ কেউ নেই, একটু সময় দেবার। আছে সময় কেড়ে নিয়ে একটু কষ্ট দেবার। পাশে নেই কাছে নেই কেউ নেই! ভালবাসা নেই প্রেম নেই সুখ নেই। আনন্দ নেই প্রিয় মানুষের তালিকায় নেই! তবুও বেঁচে আছি সংগ্রামের তালিকায়। আমিও বিশ্বাস করি, আমারও হবে সব। যখন করবো জয়, থাকবো বিজয়ের তালিকায়! আমি কখনো ভাবিনি। বন্ধ ঘরে থাকতে হবে। শহর থেকে শহরে লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে। লাশ ছুয়ে দেখা যাবে না। কাছে গিয়ে দেখার একটু সুযোগ হবে না। ভয় পেয়ে যাবে লাশ দেখে, পড়ে থাকা লাশে মাঠি দিতে মানুষ খোঁজে পাওয়া যাবে না। কেউ কেউ স্বজন হারানোর কান্নায় ভেঙ্গে পড়বে। কেউ কেউ আত্মসম্মানবোধের কারণে হাত পাতবে না। না খেয়ে থাকবে দিনের পর দিন। চারপাশ হয়ে গেছে নিস্তব্ধ, গাড়ি চলাচল নেই। পথে পথে মানুষের ভীড় নেই, শহর ফাঁকা। কবে জানি শেষ হয়? হয়তো বিধাতা চাইলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা কি পারবো ঠিক হতে? দিন দিন গাছপালা কেটে পরিবেশ করছি ধ্বংস। কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। ধুলাবালি বাড়ছে, সে খবর কেউ কি রাখছে? মানুষের হাতে মানুষ থেকে শুরু করে বহুপ্রাণি মরছে। আজ সবকিছু বন্ধ, মুক্তি পেয়েছে পরিবেশ। ছাত্র, গ্রীন ইউনিভার্সিটি
কেউ নেই
প্রকাশ:









