সড়কে নেই যানবাহন। সমস্ত দোকানপাটও বন্ধ। এলাকার সব মানুষ ঘরবন্দী। চিরচেনা রূপ ছেড়ে হঠাৎ বদলে গেছে শহর। ঠিক যেনো ফিরে পেয়েছে আগের সেই রূপ। বলছিলাম বান্দরবানের কথা।
বান্দরবান শহরের মধ্যম পাড়ার বাসিন্দা বাওয়াই মাস্টার। তিন দশকের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতায় রয়েছেন তিনি। বর্তমানে শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি বলেন, বান্দরবান শহর হিসেবে বেশি দিনের নয়। এত দালানকোঠা, দোকানপাট, ভিড়, সড়কে এত যানবাহন কিছুই ছিল না। বাড়িগুলো ছিল বাঁশ ও গাছের তৈরি মাচাং ঘর। এর চারপাশে ছিল মনকাড়া ফুলের বাগান।
বাওয়াই মাস্টার বলেন, বর্তমান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যে জায়গা, সেটাও ছিল ফসলের জমি। সেখানে টাকি, মাগুর, পুটি মাছ, চিংড়ি ও শামুক পাওয়া যেত।
সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিক্ষক শৈটিংপ্রু বলেন, সন্ধ্যায় ট্রাফিক মোড় থেকে উজানি পাড়ায় কোনো রিক্সাওয়ালা আসতে চাইতো না ভয়ে। সবাই তখন যার যার ঘরে। চারপাশে অন্ধকার। নীরব ও নিস্তব্ধ। ঠিক যেন এখন করোনা ভাইরাসের দিনগুলোর মতো।
লেখক ও কবি মংক্যশোয়েনু নেভী বলেন, কোনো কিছুই আগের মতো থাকবে না। তবু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পুরনো বান্দরবানকে ফিরিয়ে দিয়েছে। আগের সময়ের দৃশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে। এখন শহরটাও পরিচ্ছন্ন হয়েছে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি








