নীলফামারীর চিলাহাটিতে এক সময় ব্যাপক হারে কাউনের চাষ হতো। তবে বর্তমানে কাউন চাষে কৃষকের আগ্রহ না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে কাউন।
জানা যায়, স্বল্প খরচ, সহজ চাষ পদ্ধতি ও পানি সাশ্রয়ী হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঠিক তদারকির অভাবে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এ ফসলটি আজ বিলুপ্তির পথে। এমনকি উপজেলায় কাউন চাষের কোনো তথ্য নেই কৃষি কর্মকর্তার দপ্তরে। ফসলটি যেন কালেরগর্ভে বিলীন হতে চলেছে। সুস্বাদু একটি ফসলের নাম কাউন। মানুষজন কাউন চাল রান্না করে খায়, হরেক রকমের পিঠা, খির, পায়েস, খিচুড়ি, মলাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি হতো কাউন থেকে। আরও জানা যায়, ফসলটির শুকনো জমিতে ঝুরঝুরে চাষের পর চৈত্র মাসে বীজ ছিটিয়ে বপন করতে হয়।
জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে ফসল ঘরে ওঠে। এতে কোনো সেচের প্রয়োজন হয় না। ফলন হয় বিঘাপ্রতি ৮-১০ মণ। কাউনের শীষ ছিঁড়ে নিয়ে যাওয়ার পর বাকি গাছের অংশ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য আবাদের মতোই কাউন সহযোগী ফসল হিসেবে কৃষকের আর্থিক যোগান দিতো।









