পেঁয়াজের ঝাঁজে নাজেহাল হয়ে পড়েছে দেশের রান্নাঘর থেকে জাতীয় সংসদ। চারিদিকে যখন পেঁয়াজের হাহাকার ঠিক তখনই উচ্চমূল্যের সেই পেঁয়াজ নাকি পরে আছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘ভাগাড়ে’!
শুধুই ভাগাড়ই নয়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার নগরের ফিরিঙ্গীবাজার ব্রিজঘাট এলাকার কর্ণফুলী নদীর পাড়েও পাওয়া গেছে ৭-৮ বস্তা পচা পেঁয়াজ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে নগরবাসীর মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার ক্ষোভ দেখা গেছে। তাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে গুদামজাত করা পেঁয়াজ এখন পচে নষ্ট হচ্ছে। বেশীর লাভের আশায় ন্যায্য মূল্যে বিক্রি না করে, সেই পচা পেঁয়াজ এখন ফেলা হচ্ছে ভাগাড়ে-নদীতে।
তবে ব্যবসায়ীদের দাবি মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ পচা হওয়ার কারণে সেগুলো ফেলে দিচ্ছেন তারা। যার জন্য তাদের ব্যাপকভাবে লোকসান হচ্ছে।
এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক বলেন, গত তিন-চারদিন ধরে খাতুনগঞ্জসহ নগরের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার থেকে অধিক পরিমাণ পচা পেঁয়াজ সরাতে হয়েছে। ফলে পচে নষ্ট হওয়া এসব পেঁয়াজ ফেলা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের ভাগাড়ে।
তবে খাতুনগঞ্জের আজমীর ট্রেডিংয়ের মালিক ও পেঁয়াজ আরৎদার মো. ইদ্রিস মিয়া জানান, ‘মজুত পেঁয়াজ নয়, সদ্য মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটা অংশ পচা। বুলবুলের কারণে টেকনাফ স্থলবন্দরে পেঁয়াজের চালান আটকে ছিল যার ফলে বৃষ্টির পানিতে সেসব পেঁয়াজের অনেকাংশই পচে গেছে। এজন্যই ব্যবসায়ীরা সেসব পেঁয়াজ ভাগাড়ে আর নদীতে ফেলছে।’
আনন্দবাজার/শাহী








