ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনবসতি ও অপরিকল্পিত নগরায়ন ভূমিকম্পের এই ঝুঁকিকে প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দিক ঠেলে দিচ্ছে।
ভূমিকম্প নিয়ে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডিজাস্টার ফোরামের তথ্যানুযায়ী, গত ১০ বছরে দেশে ভূমিকম্প হয়েছে ৮৫ বার। এসময় নিহত হয়েছেন ১৫ জন। এর মধ্যে ২০১৫ সালে ৬ জন এবং ২০১৬ সালে ৭ জন। এক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ভবন নির্মাণ বিধি না মানায় এ ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে খোদ ঢাকায় তিন লাখ ২৬ হাজার ভবনের মধ্যে ৭২ হাজার ভবনই তাৎক্ষণিক ধসে পড়বে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী জানান, পাকা বিল্ডিং যত হবে, এবং সেটার যদি গুণগত মান ঠিক না হয় তাহলে মানুষ হতাহত হবে অনেক বেশি। একই সঙ্গে রিপোর্ট বলছে, আমরা ৯০ শতাংশ দুর্বল মাটিতে বিল্ডিং তৈরি করি।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এখনই ভবন নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণে নিয়ম মানার নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি জনসাধারণের মধ্যে ভূমিকম্প নিয়ে আতংকিত না হয়ে, সচেতনতা গড়ে তোলতে হবে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









