রাজধানীর পল্লবীতে নির্মাণাধীন একটি ভবনে পাওয়া গেছে ত্রিশোর্ধ্ব এক নারীর হাত পা বাঁধা লাশ। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে পল্লবীর সেকশন ১২, ই-ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ৪ নম্বর নির্মাণাধীন ভবনের ৬ তলার ছাদ থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
লাশের পাশে পড়েছিল বেশ কিছু কনডম ও ভিজিটিং কার্ড। ভবন মালিক তুহিনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক টিম। ধর্ষণের পর ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শনিবার দুপর ১২টার দিকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় রশি দিয়ে তার হাত, পা বাঁধা ছিল। এ ছাড়া মুখে ওড়না ঢুকানো ছিলো। ওই ভবনটি পাঁচ তলা পর্যন্ত সম্পন্ন। উপরের এক তলায় নির্মাণ কাজ চলছে। চারতলা থেকে নিচতলা পর্যন্ত ভাড়া দেওয়া। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে এই ভবনেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে তাকে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টার পাশাপাশি থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ওই নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যাকাণ্ডের আগে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না তা জানা যাবে।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস









