মুজিববর্ষ ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশীপের তৃতীয় আসর। আসরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিযোগিতা করেছেন ইসাবা মাসনুন। বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে ফাইনাল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। ফাইনাল ম্যাচে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ইসাবা মাসনুন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের দাবাড়ুকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন। ইসাবা মাসনুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এমফিল ২০২০-২০২১ সেশনের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে দাবা প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ৪দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় দেশের ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৯৬ জন দাবাড়ু অংশ নেন। ছেলে ও মেয়ে এই দুই ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মেয়েদের ক্যাটাগরিতে ছিল ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়।
গত বুধবার ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে দাবা প্রতিযোগিতা শেষ হয়। ফাইনাল ম্যাচে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক সহ মোট ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবাড়ুদের সাথে জয় লাভ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসাবা মাসনুন।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় নারী ক্যাটাগরিতে ২য় স্থান অধিকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী টপ্পা সরকার এবং ৩য় স্থান অধিকার করেছেন ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া মৌরি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সচিব মেজবাহ উদ্দিন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান, স্পেলবাউন্ড লিওবার্নেটের সিইও সাদেকুল আরেফীন, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামিম ও পৃষ্ঠপোষক পোলার আইসক্রীমের প্রতিনিধিসহ আরও অনেকে।
চ্যাম্পিয়ন ইসাবা মাসনুন বলেন, আমি খুব আনন্দিত। ভবিষ্যতে দাবায় আরও ভালো করতে ও জাতীয় পর্যায়ে খেলতে চাই।
এবিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি আনন্দজনক। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা এভাবে সাফল্য নিয়ে আসুক। সেক্ষেত্রে তাদের যেরকম সহযোগিতা প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় সেগুলো সরবরাহ করবে বলে তিনি জানান।
ইসাবা মাসনুনের এ অসামান্য অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন হিসেবে অভিহিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ইসাবাকে অভিনন্দন জানায়।









