- নারী-শিশুসহ আহত ৭
করোনার প্রথম ডোজের টিকা ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ ঘোষণার পর আজও সাভারের টিকা কেন্দ্রে সকাল থেকেই ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। হাজার হাজার মানুষের ভিড়ের কারণে টিকা কেন্দ্রে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলার। টিকা নিতে আসা লোকজনের ধাক্কাধাক্কিতে নারী ও শিশুসহ ৭ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। গতকাল বুধবার সকাল থেকে সাভারের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট (বিআইএইচএম) কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বন্ধ ঘোষণার পর থেকে মঙ্গলবারের পর বুধবার সকাল থেকে টিকা কেন্দ্রে ভিড় বাড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয় সাভারের ওই টিকা কেন্দ্রে। এতো মানুষের জটলা নিয়ন্ত্রনে আনতে না পারায় সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলার। নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাকিতে পড়ে এক শিশু ও নারীসহ ৬ জন আহত হয়েছে।
সাভার পৌর এলাকার রাজাশন মহলার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, টিকা কেন্দ্রে কোনো শৃঙ্খলা নেই। গতকালও টিকা নিতে এসে প্রায় চার ঘন্টা অপেক্ষা করে বাড়ি ফিরে গিয়েছি। তবে আজ সকাল থেকে অপেক্ষা করার পর দুপুর আড়াইটার দিকে অনেক চেষ্টার পর টিকা নিতে পেরেছি।
অন্যদিকে সাভারের নামাবাজার এলাকার বাসিন্দা সৈকত নামের এক ব্যক্তি বলেন, তিনি ভিড় এড়ানোর জন্য সকালের দিকেই টিকা কেন্দ্রে আসেন। তিন ঘন্টা অপেক্ষা করার পর টিকা দিতে না পেরে বাড়ি ফিরে গেছেন। টিকা কেন্দ্রে মানুষের ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিতে বেশ কয়েকজন নারীকে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে দেখেছেন। পরে তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সায়েমুল হুদা বলেন, আমাদের এখানে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। সবাইকে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে। তাদেরকে বলা হয়েছে যারাই কেন্দ্রে এসেছেন সবাই টিকা পাবেন, কেউ বিশৃঙ্খলা করবেন না। বার বার এমন ঘোষণা দেওয়ার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেওয়া যায়নি। টিকা নিতে আসা লোকজনের ধাক্কাধাক্কিতে আজও কয়েকজন আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও টিকা কেন্দ্রের পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। সারিবদ্ধভাবে যাতে সবাই টিকা নিতে পারে, সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।









