দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মাছ প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদী। উপজেলা প্রশাসন নজরদারি করেও সে নদী থেকে কোনভাবেই মাছ শিকার ও বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না। মাছ শিকারী সময় সুযোগ বুঝেই শিকারে নামে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে৷ মহামারী করোনা কালেও থেমে নেই মাছ শিকারীরা।
১৩ জুন শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে বড়শি দিয়ে ১১ কেজি ওজনের মা-মাছ শিকার করার দায়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাটহাজারী উপজেলার ছিপাতলী ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম খান বাড়ির টেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাছ শিকারী ইউনুচ সোহেল ও তার দলবলকে এই জরিমানা করা হয়। এসময় ছিপাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আহসান লাভু উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, খবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে গেলে প্রশাসনকে দেখে মাছ শিকারী ইউনুচ সোহেল তার দলবল নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে প্রশাসন ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করে। পরে জানা যায় তারা আজ ১১ কেজি ওজনের একটি কাতাল মাছ বড়শি দিয়ে শিকার করেছে এবং মাছটি ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। পরে অনেক চেষ্টা চালিয়ে প্রশাসন মাছটি উদ্ধার করে হালদা রিসার্চ ল্যাবে পাঠিয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ রুহুল আমিন বলেন, মাছ শিকারীরা এখন জালের পরিবর্তে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে। হালদায় মা মাছের অবাধ বিচরণে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। এসময় তিনি হালদায় অবৈধভাবে মাছ শিকারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, হালদায় যারা মা মাছের অবাধ বিচরণে বাধা সৃষ্টি করবে তারা কেউ প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।
আনন্দবাজার/এফআইবি









