পঞ্চগড়ে ঘনকুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ। গত তিনদিন ধরে গভীর রাত থেকে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। অনেক বেলা পর্যন্ত চারদিক ঢাকা পড়ে থাকে ঘনকুয়াশায়। দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলে না সে সূর্যের।
কুয়াশার কারণে হেড লাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করে যানবাহন। শীত বাড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ। শীতের এ পরিস্থিতিতে বেশি বিপদে পড়েছেন গ্রাম ও চরাঞ্চলের গরিব মানুষ। গরম কাপড়ের অভাবে রাতভর প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সঙ্গে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তাদের। এদিকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে মানুষ বের হচ্ছে না। একই সঙ্গে সকাল সকাল ফাঁকা হয়ে যায় হাট-বাজার, দোকানপাট।
শ্রমজীবীরা জানান, ঠাণ্ডার কারণে সময়মতো কাজে যোগ দিতে পারছেন না তারা। যদিও পেটের দায়ে কেউ কাজে বের হলেও ঠাণ্ডায় কাজ করতে পারছেন। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল শাহ্ বলেন, সোমবার সকাল ৬ টায় ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। গতকাল তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ থেকে ২৫ ডিগ্রিতে উঠানামা করছে। দিনের বেলাতে সূর্য উঠলেও রোদের তীব্রতা নেই। দিনভর থাকছে শীতের আমেজ। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি দেখা যায়।
এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে, তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে শৈত্যপ্রবাহ নামতে পারে। এর আগে, ৮ জানুয়ারি সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল।
আনন্দবাজার/এম.আর









