১২ বছর বয়সী রানার মুখে এখন শুধু ভুলানো হাসি। যে রানা সবসময় ব্যস্ত ছিলো খেলা, বেড়ানো আর লেখাপড়া। এগুলো ঘিরেই এখন দিন চলে যায় তার। কিন্তু সমবয়সী অন্য শিশুরা ক্লান্তিহীন ভাবে খেলায় মত্ত থাকে, আর মাঝেই মাঝেই রানা অসুস্থ হয়ে পড়ে। ছোট রানা একটু হাটলে দৌড় দিলে কিংবা শব্দ শুনলে ভয় পায় আবার মাঝে মাঝেই বুকে ব্যথা হয়। পরে তার বাবা তাকে চিকিৎসার জন্য কবিরাজ ও পল্লী চিকিৎসকের কাছে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা করায় কিন্তু তাতে কোন কিছু হয়নি।
পরে রানার দরিদ্র বাবা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখানে কিছু পরীক্ষা করানো হয়, পরীক্ষায় আসে তার হার্টে তিনটি ছিদ্র। লাগবে অপারেশন, এই শুনে আকাশ ভেঙে পরলো দরিদ্র রানার বাবা জুয়েলের মাথার উপর। সে পেশায় একজন জেলে।
সুস্থ তার জন্য লাগবে অপারেশন। আর অপারেশন করার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন সেই পরিমাণ অর্থও নেই তার কাছে, যা কিছু ছিল তা বিক্রি করে এখন সহায় সম্বলহীন তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, রানা ৫ ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র, তার ইচ্ছা পড়াশুনা করে একদিন অনেক বড় হবে মা,বাবার দুঃখ দূর করবে, সন্তানের মুখের এ কথা শুনার পর বাবার মুখে নেই কোন হাসি।
জুয়েল বলেন, ছেলেকে বাঁচাতে হলে অপারেশন করতে হবে আর তার ব্যয় আনুমানিক ৮ লাখ টাকা, যাহা দরিদ্র জেলে হয়ে আমি বহন করতে পারছি না, তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চাই। আপনাদের সহযোগিতায় আমার ছেলে যেন চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠে।
রানার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি ইউনিয়নের গুজিয়াম ধনিয়ার চালা।
রানার মা রুনা আক্তার বলেন, আমার একটি ছেলে আপনারা আমার ছেলের জন্য আপনাদের সহযোগিতার হাত বাড়ান আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় আপনাদের সহযোগিতায় আমার ছেলে বাঁচবে।
চিকিৎসা সহযোগিতার জন্য :
০১৭২৮৬৮৩৮২২ (বিকাশ)
সঞ্চয়ী হিসাব মোঃ জুয়েল মিয়া ইসলামি ব্যাংক, গুজিয়াম বগার বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা ত্রিশাল ময়মনসিংহ।
হিসাব নং ২০৫০৭৭৭০২০২৭০৭১১০
আনন্দবাজার/এম.আর









