আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে ভারতে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশী শাড়ি। ভারতীয় নারীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের সব উন্নত মানের রুচিশীল জামদানি, সুতি জামদানি, সুতি কাতান, স্বর্ণলতা, বেনারসি এবং শেড শাড়ি।
জানা গেছে, পুজা উপলক্ষে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে নানা ব্র্যান্ডের শাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। সে জন্য ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুয়ায়ী কাপড়ের উৎপাদন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তাঁত শ্রমিকরা। ফলে কারখানার মালিক ও শ্রমিকদের কোলাহলে ব্যাপক সরব হয়ে উঠেছে কাপড় তৈরির তাঁত কারখানাগুলো।
পাবনার ঈশ্বরদী ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের তৈরি বেনারসি শাড়ি এরইমধ্যে ভারতসহ দেশের নানা অঞ্চলে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী পূজার কাপড় সরবরাহ দিতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন তাঁত কারখানার মালিকরা। বাজারে কাপড়ের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যও বেড়েছে।
এই ব্যাপারে কাপড় ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, হুগলী, মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পশ্চিম দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, কুচবিহার, হওড়া ও হুগলীসহ নানা জেলার ছোট-বড় শপিংমলগুলো বাংলাদেশে তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি শোভা পাচ্ছে। আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সেখানে বাংলাদেশী শাড়ির বাজার ব্যাপক জমে উঠেছে।
এছাড়া বাংলাদেশের পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার তাঁত কারখানাগুলো তৈরি সিল্ক জামদানি, সুতি জামদানি, কাতান, সুতি কাতান, বেনােপক, শেড, স্বর্ণলতা শাড়ি ভারতে পাঠাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গেরর শিলিগুড়ির আমদানিকারক সেলিম খান বলেন, দুর্গাপূজার বাজার ধরার জন্য প্রায় দুই মাস আগে থেকে পশ্চিমবঙ্গের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা তাদের এ দেশের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে করটিয়া ও ডেমরা, এনায়েতপুর, টাঙ্গাইল জেলার পাথরাইল, শাহজাদপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, চণ্ডি, নলসুধা, চিনাখোলা, হিঙ্গানগর, বাতুলি, দেওজান, নলুয়া, এলাসিন, বাজিদপুর, বল্লা, রামপুর হাট সহ ঢাকার মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের ডেমরায় তৈরি শাড়ি কিনে নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, প্রতি পিস শাড়ি এক হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যে কেনা হচ্ছে। পরে সড়ক পথে পশ্চিমবঙ্গের নানা জেলায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









