সৈয়দপুরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সকলের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও জনসমাগম এড়াতে শহরের পাইকারি ও খুচরা কাঁচা বাজার স্থানান্তর করেছে প্রশাসন। পৌর -পরিষদের ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
গত সপ্তাহের ওই সিদ্ধান্তের পরই গত শনিবার শহরের নয়াবাজারস্থ কাঁচামালের পাইকারি বাজারটি কয়া মিস্ত্রিপাড়া বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সৈয়দপুর পাইকারি কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির নিজস্ব মার্কেটে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে শুক্রবার খুচরা সবজি ও মাছ বাজারটি আধুনিক পৌর সবজি বাজার থেকে সরিয়ে সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং মাংস ও মুরগীর বাজারটি গোয়াল পাড়ার বাজার থেকে সরিয়ে বিমানবন্দর সড়কস্থ ফাইভ স্টার মাঠে নেয়া হয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হওয়ায় শহরে লোক সমাগম অনেকটাই কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে দুপুরে বাজারের পরিস্থিতি দেখতে কয়া মিস্ত্রিপাড়াস্থ পাইকারি কাঁচামালের বাজার পরিদর্শনে যান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার।
এসময় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার ওই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন। তারপরেও সরকারি নির্দেশনা পালনে আমরা সকলেই সচেস্ট রয়েছি। তিনি সকলকে আরও সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বেচাকেনার নির্দেশনা দেন।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান, সৈয়দপুর পাইকারি কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তফা মারুফ বিন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক বজলার রশীদ বাবলু, সংগঠনের সদস্য সাজিদ, সাহিদ, আরমানসহ গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।
এদিকে কাঁচামাল পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায় অন্যরকম চিত্র। বাজারের ৯২টি শেডে রয়েছে পেঁয়াজ, আলু,মরিচসহ বিভিন্ন মালামাল। চারিদিকে ক্রেতা বিক্রেতাদের হাক ডাক। সবাই বেচাকেনায় ব্যস্ত৷ আর ক্রেতা বিক্রেতারা যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বেচাকেনা করেন সেজন্য সভাপতি মিজানুর রহমান লিটন ও সাধারন সম্পাদক তোফায়েলমোহাম্মদ আজম সার্বক্ষণিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এব্যাপারে তারা বলেন, নতুন কাঁচামালের পাইকারি বাজারে যাতে কোন রকম সমস্যা না হয় সেজন্য তাদের সলগঠনের সকলেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া বাজারটি চালু হওয়ায় এখানে প্রায় তিনশত মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে।
আনন্দবাজার/রনি/শম









