উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে আবারও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ স্লুইস গেট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর গেজ পাঠক নুরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকাল ৩টা থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বখড়িবাড়ীর দিঘিরপাড়, চরখড়িবাড়ী, পশ্চিম টাপুর চর, পাগলীর বাজার, একতার বাজার, বাংলাপাড়া, উত্তর খড়িবাড়ী, পূর্বখড়িবাড়ীর বেশ কিছু মানুষ পাউবোর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। এবং পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড় সিংহেরশ্বর ও পূর্বছাতনাই এলাকার ৬টি ওয়ার্ডের ১ হাজার ৪০ পরিবার, ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের ভেন্ডাবাড়ী ও সাতুনামা এলাকার ৬০ পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে, খালিশা চাপানী ইউনিয়নের বাইশপুকুর, ছোটখাতা এলাকার ৮০০ পরিবার, খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই ও দোহলপাড়া মৌজার তিস্তার চর এলাকার ৪০০ পরিবার এবং গয়াবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর গয়াবাড়ী গ্রামের ২২০ পরিবারসহ মোট ২০ হাজার মানুষ পানিবন্ধী জীবন যাপন করছে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









