টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে খুঁটির সাথে বেঁধে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে। গৃহবধূ এখন অসুস্থ অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৬ জনের নামে নারী নির্যাতন আইনে মামলা হলেও এদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
যৌতুকের টাকা দিতেই মাত্র ৬ মাস আগে বিক্রি করে দেন নিজের দেড় মাসের দুধের শিশুকে। তবুও হয়নি মুক্তি। এবার হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে।
নির্যাতিতা বলেম, আমার মা দুইবার টাকা দিয়েছেন। তবুও বারবার তারা টাকা চাইছে। টাকা না দিলেই আমাকে মারধর করে। আমি এর বিচার চাই।
স্থানীয়রা বাধা দিলেও কানে তোলেনি কেউ। খবর পেয়ে নির্যাতিত গৃহবধূকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, নারীর স্বামী, তার বোন, ভাসুর, ভাসুরের স্ত্রী সবাই মিলে অত্যাচার তাকে করতো। আমরা কেউ আসলে আমাদেরও হুমকি দিতো। অবশ্যই আমরা এটার বিচার চাই।
সিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেক আলী জানান, এটা বর্বরতা। তারা সবাই মিলে গৃহবধূকে অত্যাচার করতো। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় পুলিশ।
আনন্দবাজার/তা.তা









