ভিন্ন এক সংগ্রামে নেমেছে সুখী, হাসি, স্বর্ণা, কল্পনা, শাহনাজ, শারমীন, বাসনা, আফসানা ও রীনা। এরা সবাই রাজধানীর কল্যাণপুর বস্তিতে থাকেন। তারা সবাই বিভিন্ন বয়সী মেয়ে ও নারীদের এ দলের সদস্য। করোনা ভাইরাস রোধে কল্যাণপুর বস্তিতে এই নারীরাই অন্য বস্তিবাসীর শরীরের তাপমাত্রা মাপা, জ্বর থাকলে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া, ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কাজগুলো করার দায়িত্ব নিয়েছেন।
হিউম্যান এইড বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামের বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান এই নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এই ১০ নারী বস্তির ৫০০টি পরিবারের তথ্য নেওয়া, অটোমেটেড মেশিনে ব্লাড প্রেশার মাপা, ইনফারেড থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপছেন। এবং এই নারীরাই এখন আশে পাশের মানুষদের সচেতন করছেন। এই নারীদের অনেকে আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
হিউম্যান এইড বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট চিকিৎসক শেখ মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম জানান, দেশের এই দুর্যোগে বস্তির যে নারীরা একটু শিক্ষিত, ইংরেজি পড়তে পারেন তাঁদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য গ্লাভস, মাস্ক, অ্যাপ্রোনসহ অন্যান্য উপকরণ দেওয়া হয়েছে সবাইকে। তাঁদের জন্য বস্তিতে কাজ করাটাও তুলনামূলক সহজ কারণ এই নারীরা ওই বস্তিতেই বসবাস করেন।
আনন্দবাজার/এস.কে









