বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন খামারে গিয়ে গরু কিনছেন ক্রেতারা। এছাড়াও ফেসবুকভিত্তিক বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপে পোস্ট করা কোরবানির পশু পছন্দ করে মুঠোফোনেই সেরে নিচ্ছেন দর-দাম।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানা যায়, জেলায় ৩ হাজার ৪শ গরুর খামার আছে। এর মধ্যে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা, পটিয়া ও আনোয়ারা এলাকায় সবচেয়ে বেশি খামার আছে। এসব খামারে প্রায় ৭ লাখ গরু, মহিষ ও ছাগল লালন পালন করেছেন বলে জানান খামারিরা।
এ বছর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে বসছে ৭টি পশুর হাট এবং পটিয়ায় ১০টি, সাতকানিয়ায় ২৩টি, লোহাগাড়ায় ১৫টি, চন্দনাইশে ১৭টি, বোয়ালখালীতে ৫টি, আনোয়ারা ৩টি, বাঁশখালীতে ১২টি, রাউজানে ১৩টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৭টি, সীতাকুণ্ডে ১০টি, মীরসরাইয়ে ৩১টি, ফটিকছড়িতে ৪৯টি, হাটহাজারীতে ১৫টি ও সন্দ্বীপে ১৫টি পশুর হাট বসছে।
সাতকানিয়ায় ও বিবিরহাট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার খামারি ও উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা নিজেদের লালন-পালন করাগরু বিক্রির জন্য এখানে এনেছেন। তবে এসব গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে আড়াই-তিন লাখ টাকা। তবে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না পাওয়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে বৃষ্টির দুর্ভোগ।
মোয়াজ্জেম হোসেন সজীব জানান, আমাদের খামারে ১০০টি গরুর মধ্যে অনলাইনে যোগাযোগ করে ক্রেতারা ৬০টি কিনে নিয়েছেন। এসব গরু কোরবানির আগের দিন খামার থেকে নিয়ে যাবেন তারা।
আনন্দবাজার/এম.কে








